ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, প্রতিটি তরুণই সম্ভবনাময়, প্রতিটি তরুণই চেইঞ্জ মেকার। তরুণরা রুখে দাঁড়ালেই সমাজ থেকে সকল অন্যায় ও অবিচার উঠে যাবে। তাই দেশ ও দশের কল্যাণে সামাজিক আন্দোলনে তরুণদেরকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। ১ জানুয়ারী বিকালে রাজধানীর বনানী বিটিসিএল মাঠে বিডি ক্লিন আয়োজিত “সেভ আর্থ, সেভ বাংলাদেশ” প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় ডিএনসিসি মেয়র এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়েই দেশপ্রেমিক তরুণরা মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, প্রিয় মাতৃভূমিকে করেছিল শত্রুমুক্ত, যার ফলে অর্জিত হয় লাল-সবুজের পতাকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ।তিনি এসময় আরও বলেন, মহান স্বাধীনতা ও বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পরিবেশ দূষণরোধে জনসচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে বিডি ক্লিন সদস্যরা সারাদেশের রাস্তাঘাট থেকে সংগৃহীত পরিবেশ দূষণকারী ৫ কোটি পরিত্যক্ত সিগারেট ফিল্টার এবং ৩০ লক্ষ প্লাস্টিক বোতল দ্বারা যে অভিনব প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবীদার।

 “সেভ আর্থ, সেভ বাংলাদেশ” শীর্ষক প্রদর্শনীটির এবারের স্লোগান “প্লাস্টিক সামগ্রী ও ধূমপান পরবর্তী ফিল্টার দূষণরোধে হতে হবে সচেতন, চলুন মিলেমিশে গড়ি বাসযোগ্য বাংলাদেশ, করে অতীব যতন”। 
মেয়র বলেন, নিজেদের সুস্থ্যতার জন্যই ধূমপানকে নিরুৎসাহিত করতে তামাকজাত পণ্যের উপর কর বৃদ্ধি করতে হবে এবং প্রয়োজনের তাগিদে ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত পণ্য ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেয়ার কারণে তা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জলাবদ্ধতারও কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেই প্লাস্টিকজাত পণ্যের রিসাইক্লিং নিশ্চিত করতে হবে।

৩০ লক্ষ শহীদের রক্তমিশ্রিত বাংলার পবিত্র মাটিকে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে অপরিচ্ছন্ন করা যাবেনা, নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশেপাশের পরিবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং সবাই মিলে সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তুলতে হবে।