শনিবারের মধ্যেই সারা দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীকে টিকা দিতে চায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। এরই মধ্যে রাজধানীতে টিকাদান প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত এলাকা ও নির্বাচনের কারণে এখনো পিছিয়ে কয়েকটি জেলা। টিকাদান শেষ হলে পাঠদানে গতি বাড়বে, বলছে শিক্ষা বিভাগ।

বরিশালের আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামে শিক্ষার্থীদের ঢল। মঙ্গলবার এখানে টিকা নিয়েছে ১৩ স্কুলের তিন হাজার শিক্ষার্থী। টিকা ছাড়া শ্রেণিকক্ষের পাঠদানে সরাসরি অংশ নেয়া যাবে না, এই ঘোষণার পর টিকা নিতে সারা দেশেই ব্যাপক আগ্রহ বেড়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

শিক্ষার্থীদের টিকাদানে সবচেয়ে এগিয়ে মাগুরা, হার ৯৯ ভাগ। এরপর বাগেরহাটে ৯৬ ও লক্ষীপুরে ৮২ ভাগ শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে ঠাকুরগাঁও, হার মাত্র ১১ শতাংশ। এছাড়া চুয়াডাঙ্গায় ১৩, নরসিংদীতে ১৪ ও লালমনিরহাটে মাত্র ১৬ ভাগ শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে।

রাজধানীতে ৭ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে টিকা পেয়েছে ৬ লাখ ৮০ হাজার। দু-একদিনের মধ্যে পাবে বাকিরাও। জন্মসনদ না থাকলে, স্কুলের নামের তালিকা ধরেও দেয়া হচ্ছে টিকা।

দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী এক কোটি ১৫ লাখ। এরই মধ্যে টিকার আওতায় এসেছে অর্ধেকের বেশি। শিক্ষার্থীদের টিকাদানে এগিয়ে রয়েছে মাগুরা ৯৯ ভাগ, বাগেরহাট ৯৬ ভাগ, লক্ষ্মীপুর ৮৬ ভাগ, ফেনী ৮২ ভাগ, মাদারীপুর ৮২ ভাগ।

আর শিক্ষার্থীদের টিকাদানে পিছিয়ে থাকা জেলাগুলো হল: ঠাকুরগাঁও ১১ ভাগ, চুয়াডাঙ্গা ১৩ ভাগ, নরসিংদী ১৪ ভাগ, লালমনিরহাট ১৬ ভাগ।