নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সহিংসতার শঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তৎপরতা শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছে বেশ কয়েকজন।

নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ জায়েদুল আলম জানান, ১৯৩টি ভোটকেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। মোতায়েন থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্তত ৪ হাজার সদস্য।

১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভোট। ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩১৬ জন। এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে ১৯৩টি কেন্দ্রে। ২০১৬ সালের চেয়ে কেন্দ্র বেড়েছে ১৯টি।

২০১৬ সালে ১৩৭ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার সব কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে প্রশাসন। মোতায়েন থাকবে তিন হাজার পুলিশ সদস্য, ২০ প্লাটুন বিজিবি, ২০০ প্লাটুন আর্মড পুলিশ এবং প্রতি কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকবে র‍্যাব সদস্যরাও। এছাড়া, ২৭টি ওয়ার্ডে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ স্ট্রাইকিং ফোর্স মাঠে থাকবে।

ভোটের পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখতে অভিযানে নেমেছে পুলিশ। বিভিন্ন সময়ে নাশকতার মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার জানান, সুষ্ঠু ভোটের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণের বাকি আর মাত্র ৩ দিন। জমে উঠেছে শেষ সময়ের নির্বাচনি প্রচারণা। অভিযোগ- পাল্টা অভিযোগ নানা পদ্ধতিতে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। আগামী রোববার নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।