ইউক্রেনের চুগুইভ শহরের কাছে বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন।

ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরু হওয়ার পর দুই পক্ষের মধ্যেই হতাহতের খবর আসতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুই পক্ষ মিলে অন্তত ১০০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯০ জনই সামরিক বাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া আহতের সংখ্যা কয়েক ডজন ছাড়িয়ে গেছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত ইউক্রেনের ৪০ জন ও রাশিয়ার ৫০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। তবে আল জাজিরা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হতে পারেনি।

অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, ইউক্রেনের ৪০ সেনার পাশাপাশি ১০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন এ কথা বলেছে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, রুশ বাহিনীর ৫০ সেনা নিহত হয়েছে। রাশিয়ার ছয়টি উড়োজাহাজও ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইউক্রেন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের একজন উপদেষ্টার বরাত দিয়ে আল জাজিরা বলেছে, রুশ হামলায় এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের ৪০ নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ঘোষণা দেন, তিনি ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযানের’ অনুমোদন দিয়েছেন। এরপর ভোর থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে বড় বড় বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি রয়টার্সকে বলেন, রুশ বাহিনী তার দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশে সামরিক আইন জারি করেন তিনি।

হতাহতের বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইউক্রেনের বাহিনীর হাতে নিজেদের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার কথা অস্বীকার করেছে মস্কো।

সূত্র : আল জাজিরা, বিবিসি, সিএনএন