আব্দুল হান্নান, ক্রাইম রির্পোটার, সিলেট।

চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা ইউনিয়নের মহিমাউরা গ্রামের প্রবাসি বাচ্চু মিয়ার ধান্য জমি জোর পূর্বক ভরাট করে রাস্তা বড় করছে একই গ্রামের মৃত আঃ রাজ্জাক এর পুত্র ছালেক মিয়া ও তার স্বজনরা।
এতে বড় ধরনের সংঘর্ষ কিংবা আসন্ন সমস্যার আশংকা বিরাজ করছে ২ পরিবারের জন্য।
প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী বলছেন তার স্বামীর কোনো নিকটতম স্বজন না থাকলেও স্বামীর সম্পত্তি রক্ষায় তিনি জীবন বাজি রাখবেন।
ছালেক মিয়া ও তার আত্মীয় স্বজনরা সব কিছু জোর করেই করবেন বলে হুমকি দিচ্ছেন প্রকাশ্যে।
স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার দুলাল মিয়া বলছেন, ছালেক মিয়ারা চেয়ারম্যান মেম্বার মানেন না।
চেয়ারম্যান বলছেন উভয় পক্ষই উনার আত্মীয় হওয়ায় বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে চান না।
বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী মাহমুদার অভিযোগ এর তদন্তকারী কর্মকর্তা মনির হোসেন বলছেন, পুলিশ গেলে ছালেকরা সব মানে এরপর আবার যেই সেই হয়ে যায়।
আশপাশের লোকজন মারফত জানা যায়, ছালেক মিয়া ও তার আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি থেকে বের হবার রাস্তা ও প্রবাসী বাচ্চু মিয়ার জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার জন্য উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে।
একাধিক শালিস বৈঠকও হয়েছে।
শালিসে ছালেক মিয়াদের চলাচলের রাস্তা ও বাচ্চু মিয়ার বাড়ি সহ জমিজমার পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্টের ব্যবস্থা দিতে উভয় পক্ষকে সুপারিশ করা হয়।
তা উভয় পক্ষই মেনে নেন।
পরে ছালেক মিয়া রাস্তা ভরাটের কাজ শুরু করেন।
বাচ্চু মিয়ার পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি এড়িয়ে যান।
বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা খাতুন বলেন, বৃষ্টি হলেই তাদের বাড়ি সহ আশপাশের সব জমি পানিতে ডুবে যায়। ছালেক মিয়ার পক্ষের লোকেরা পানি নিষ্কাশনের কোনো সুযোগ সুবিধা দিতে রাজি হচ্ছে না।
এক পর্যায়ে তারা জোর করে রাস্তা ভরাট করলে তিনি চুনারুঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
চুনারুঘাট থানার এএসআই মনির হোসেন একাধিক বার ঘটনা স্থলে যান।
পানি নিষ্কাশনের জন্য কালভার্ট স্থাপনের সুযোগ করে দিতে ছালেক মিয়ার পক্ষকে বলেন।
পুলিশ চলে আসলেই তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান।
গত ৫ এপ্রিল আবারও ছালেক মিয়ারা রাস্তা ভরাটের কাজ শুরু করলে মাহমুদা খাতুন বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।
সাংবাদিকরা ঘটনা স্থলে গেলে ছালেক মিয়ার পক্ষের লোকেরা সামাজিক ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে রাস্তা ভরাটের কাজ করবেন বলে জানান।
পরের দিন সকালে তারা কারো সাথে কথা না বলে আবারও রাস্তা ভরাটের কাজ শুরু করেন।

এতে অসহায় বোধ করে মাহমুদা খাতুন বিভিন্ন জনের কাছে ছুটাছুটি করেন।
কোনো সুরাহা না পেয়ে আর তার স্বামীর জমিতে জবর দখল করতে চাইলে তিনি কঠিন প্রতিবাদ করবেন বলে জানান।
এদিকে রাস্তা ভরাটের কাজ শেষ না করে থামবেন না বলে জানান ছালেক মিয়ার পক্ষ।।