The government is determined to collect toll on the highway

দেশের মহাসড়কে টোল আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের পর এখান থেকে সরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই যেহেতু ঘোষণা দিয়েছেন এরপর তো নড়ন-চড়নের কোনো বিষয় নেই।

আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, চার মহাসড়কে টোল আরোপের বিষয়ে প্রক্রিয়া চলছে। পৃথিবীর সব দেশেই সড়কে টোল আছে। চার লেন, ছয় লেন, আট লেনের সড়ক হবে। পৃথিবীর সব দেশেই সড়ক যারা ব্যবহার করে তাদের কাছ থেকে টোল নেওয়া হয়। বাংলাদেশ কেন ব্যতিক্রম থাকবে? সড়ক মেরামত ও সংস্কার করতে হয়। বিভিন্নভাবে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওভারলোডের জন্য।


তিনি বলেন, সড়ক তো মেরামত করতে হয়, সংস্কার করতে হয়। বিভিন্নভাবে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ওভারলোডের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সড়ক দেবে যায়, গর্ত সৃষ্টি হয়। এগুলো তো মেরামত করার প্রয়োজন হয়। 

তবে টোল ফি কত হবে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেটা নিয়ে প্রক্রিয়া চলছে। মন্ত্রণালয় ও বিআরটি এ বিষয়ে কাজ করছে। একটা রিজেনেবল প্রাইজ দিতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

সব মহাসড়কে টোল ধরা হবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা মেইনলি যে জাতীয় মহাসড়কের মধ্যে যেগুলো চার লেন, ছয় লেন, আট লেন- এইসব সড়ক ও হাইওয়েগুলো টোলের আওতায় পড়ে। আমরা এখন জেলা সড়ক যদি টোলের আওতায় নিয়ে আসি, সেটা সঠিক হবে না। আমরা সেভাবে চিন্তা-ভাবনা করছি না।

পদ্মা সেতুর টোল নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি জানিয়ে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সেতুর নির্মাণ প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে। কিন্তু টোলের ব্যাপারটা নির্ধারণ হওয়ার আগেই কীভাবে আগাম কথা বলব। মূলত পদ্মা সেতুর টোলের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সরকার টোলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে করের আওতায় আনার চেষ্টা করছে বলে বিএনপির অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি কোনো ফোর লেন করেনি। কাজেই তাদের এসব বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা নেই। ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ফোর লেনসহ বাংলাদেশে যা হয়েছে এবং হচ্ছে, এগুলো শেখ হাসিনার সরকারই করেছে। কাজেই এগুলোর অভিজ্ঞতা তাদের নেই, তারা এগুলো বলতেই পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।