মোঃ আব্দুল হান্নান, ক্রাইম রিপোর্টার, সিলেট।।

স্কুলব্যাগে করে গাজা পাচারকালে এক ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু।

১০ নভেম্বর দুপুর দেড়টায় আমুরোড বাজার রেলগেট সিএনজি স্ট্যান্ড নামক স্থান থেকে ওই ব্যবসায়ীকে সন্দেহভাজন ভাবে আটক করে চেকার ফারুক মিয়া ও ময়না মিয়া নামের এক ড্রাইভার।
বিষয়টি তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সনজু চৌধুরীকে অবগত করেন তারা।
সনজু চৌধুরী ব্যবসায়ীকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে তার সাথে থাকা দুটি ব্যাগ থেকে সাত পুটলা গাঁজা উদ্ধার করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঐদিন দুপুরে অনেকটা স্টুডেন্ট এর মত দেখতে দুইজন মাদক ব্যবসায়ী দুটি ব্যাগ নিয়ে চুনারুঘাট যাওয়ার জন্য আমুরোড স্ট্যান্ড থেকে সিএনজিতে উঠলে সিএনজি ড্রাইভার ময়না মিয়ার সন্দেহ হয়। তিনি বিষয়টি চেকার ফারুককে জানালে তিনি তাদেরকে আটকে রেখে চেয়ারম্যান সঞ্জু চৌধুরীকে খবর দেন।
তখন একজন পালিয়ে যায়।
আটককৃত ব্যবসায়ী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জালালপুর গ্রামের মতিন মিয়ার পুত্র রুমন মিয়া (২৩)।
চেয়ারম্যান সনজু চৌধুরী এ বিষয়টি চুনারুঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ আলী আশরাফ কে অবগত করলে তিনি থানার এসআই আল্লামা ইকবাল কবীর সম্রাটের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পাঠিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান।
আটককৃত ব্যবসায়ী জনতার সম্মুখে স্বীকার করে সে উপজেলার নালুয়া চা বাগানের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে গাঁজা গুলো নিয়ে এসেছে। তার নাম পরিচয় জানেনা। সে একটি মোবাইল নাম্বার পুলিশকে দেয় যে নাম্বারে যোগাযোগ করে গাজা গুলো সংগ্রহ করেছিল।

চুনারুঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ আলী আশরাফ জানান, আটককৃত ব্যবসায়ী রুমন মিয়া পুলিশকে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। স্বীকারোক্তি শেষে রুমনকে সাথে নিয়ে এসআই সম্রাট চুনারুঘাট উপজেলার নালুয়া পূর্ব টিলার নূর হোসেনের পুত্র মারুফ মিয়া (২৫)কে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত দুই জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছিল।